শীতে সুস্থ থাকতে শরীরের বিশেষ যত্ন নেওয়া খুবই জরুরি। আয়ুর্বেদে কিশমিশকে একটি অত্যন্ত কার্যকরী ঘরোয়া উপাদান হিসেবে ধরা হয়। কিশমিশে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে। এটি শরীরে উষ্ণতা জোগায়, তাই শীতকালে কিশমিশ বিশেষভাবে উপকারী। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে পাঁচ থেকে সাতটি ভেজানো কিশমিশ খেলে স্বাস্থ্যের নানা উপকার পাওয়া যায়।
2
7
কিশমিশ আয়রন ও ভিটামিন বি-কমপ্লেক্সের ভাল উৎস। যাঁরা রক্তাল্পতা বা আয়রনের ঘাটতিতে ভুগছেন, তাঁদের জন্য এটি অত্যন্ত উপকারী। এটি শরীরে লাল রক্তকণিকা তৈরিতে সাহায্য করে, দুর্বলতা ও ক্লান্তি কমায় এবং শরীরে স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনে।
3
7
ইদানীং অনেকেরই হজমের সমস্যা দেখা দেয়। কিশমিশে প্রচুর ফাইবার থাকে, যা প্রাকৃতিক ল্যাক্সেটিভের মতো কাজ করে। এটি পেট পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে এবং দীর্ঘদিনের কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
4
7
কিশমিশে ক্যালসিয়াম ও বোরন থাকে। ক্যালসিয়াম হাড় গঠনে সাহায্য করে, আর বোরন ক্যালসিয়াম শরীরে শোষিত হতে সহায়তা করে। নিয়মিত কিশমিশ খেলে জয়েন্টের ব্যথা ও অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি কমে।
5
7
কিশমিশে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি গুণ রয়েছে। এগুলি ভাইরাল সংক্রমণ, জীবাণু এবং সাধারণ সর্দি-কাশির বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে। খালি পেটে কিশমিশ খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকটাই বাড়ে।
6
7
কিশমিশে থাকা ‘পলিফেনোলিক’ নামের একটি ফাইটোকেমিক্যাল চোখের দৃষ্টি ভাল রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি এতে থাকা ফাইবার রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে, ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস পায়।
7
7
রাতে কিশমিশ পরিষ্কার জলে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে সেই কিশমিশ খান। যে জলে কিশমিশ ভেজানো ছিল, চাইলে সেই জলও পান করতে পারেন। কারণ তাতেও পুষ্টিগুণ থাকে।