আজকাল ওয়েবডেস্ক: আজকাল ওয়েবডেস্ক: এবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরের সুরক্ষায় থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। জাতীয় নির্বাচন কমিশন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে চিঠি লিখে কেন্দ্রীয় বাহিনীর আবেদন জানিয়েছে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে এমনই খবর।
মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক দপ্তরের সুরক্ষার জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনীর আবেদন জানিয়ে চিঠি দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। তবে রাজ্যের নির্বাচন কমিশনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের জন্য এবং স্পেশাল অবজারভারদের জন্য সুরক্ষায় কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে কিনা সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি কমিশন।
তবে এই মুহূর্তে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক দপ্তরে কেন্দ্রীয় সুরক্ষা মোতায়েন হবে বলেই নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর। উল্লেখ্য, রাজ্যে স্পেশাল অবজারভার পি মুরগান ডায়মন্ড হারবার লোকসভা এলাকায় গিয়ে স্থানীয় মানুষদের বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন। তৈরি হয়েছিল আতঙ্কজনক পরিস্থিতি। তারপরেই স্পেশাল অবজারভার পি মুরগান জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে পুরো অবস্থার কথা জানান। যার প্রেক্ষিতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের এই ধরণের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করছে বলে জানা গিয়েছে।
এছাড়াও এদিন সিইও দপ্তর থেকে বেশ কয়েকটি বিষয় জানানো হয়েছে। সেগুলো হল-
বিএলও, ইআরও আধিকারিকদের পর এবার শোকজ নোটিশ পাঠানো হল সরাসরি ভোটারকে। এমন ঘটনা ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগরের এক বাসিন্দার ক্ষেত্রে। তাঁর খসড়া তালিকায় নাম উঠেছে দুই জায়গায়, অশোকনগর এবং কলকাতার শ্যামপুকুর এলাকায়। ফলে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে ওই ভোটারকে।
এবার নতুন করে আবার নিয়োগ করা হল অ্যাডিশনাল এইআরও আধিকারিক। রাজ্যে মোট নতুন করে অ্যাডিশনাল ইআরও নিয়োগ করা হয়েছে ২৮০০ জন। এছাড়া ইআরও রয়েছেন ২৯৪ জন। এইআরও রয়েছেন ৩০০০ জন।
এসআইআর-এর খসড়া তালিকা বেরিয়েছে। সিইও দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, এখনও পর্যন্ত কোনও রাজনৈতিক দলের তরফেই কোনও অভিযোগ জমা পড়েনি। তবে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে হিয়ারিং এর নোটিশ পাঠানো নিয়ে, যা এখনও পর্যন্ত শুরু হয়নি। কমিশনের তরফে খবর, শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫) থেকে নোটিশ পাঠানো শুরু হবে।
হিয়ারিং-এর ক্ষেত্রে কোন সিসিটিভি নয়, ব্যবহার করা হবে আরও অত্যাধুনিক ডিভাইস। এছাড়া থাকবে মাইক্রো অবজার্ভারের ব্যবস্থা।
ফর্ম ৬-৭- ৮ এখন যদি পুরো না করে জমা দেওয়া হয় তাহলে ১৪ তারিখের পরেও তা পূরণ করা যাবে, কিন্তু সেক্ষেত্রে চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় তাঁদের নাম নথিভুক্ত থাকবে না।
আগামী ১৪ তারিখ চূড়ান্ত ভোটার তালিকা বেরোনোর পর যদি এইআরও অর্থাৎ বিদেশি নিবদ্ধকরণ দপ্তর বা কার্যালয় কোনওরকম অভিযোগ আনে তাহলে সেক্ষেত্রে ইআরও আধিকারিকদের উপর দায় বর্তাবে। সেক্ষেত্রে ইআরও আধিকারিককে সাজা পর্যন্ত দিতে পারে নির্বাচন কমিশন।
