বড়দিনের ছবি বড়পর্দায় আসতে না আসতেই সরস্বতী পুজো, তথা নেতাজি জন্মজয়ন্তীর প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে টলিউডে। ২৫ ডিসেম্বরেই মুক্তি পেল 'বিজয়নগরের হীরে' ছবির প্রথম ঝলক।
'কাকাবাবুর প্রত্যাবর্তন' -এর পর আবারও বড় পর্দায় ফিরতে চলেছেন তিনি। নতুন রহস্যভেদ করতে প্রস্তুত কাকাবাবু। সঙ্গে যাবে সন্তুও। এবার গন্তব্য হাম্পি। রহস্যভেদের পাশাপাশি যে ভরপুর ইতিহাসের ছোঁয়া থাকবে সেটা স্পষ্ট। বড়দিনে প্রকাশ্যে আসা 'বিজয়নগরের হীরে' ছবিটির প্রথম ঝলকে দেখা গিয়েছে কাকাবাবুকে লিভিং লেজেন্ডের আখ্যা দেওয়া হচ্ছে। সেটা শুনে তিনি জানিয়ে দেন, লেজেন্ড নন, তবে আপাতত লিভিং। যদিও তাঁকে মারার চেষ্টা চলছে। কিন্তু কারা তাঁকে মারতে চাইছে? কেন? এই উত্তর পাওয়ার আগেই ট্রেনে চেপে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় কাকাবাবু, সন্তু। সঙ্গে ফুটে ওঠে অল্প বিস্তর অ্যাকশন সহ গুপ্তধনের কথাও। শেষ পর্যন্ত কীভাবে কাকাবাবু 'বিজয়নগরের হীরে' উদ্ধার করেন সেটাই দেখার!
'কাকাবাবু' ফ্র্যাঞ্চাইজির নতুন ছবি, 'বিজয়নগরের হীরে'র পরিচালক বদল হলেও কাকাবাবু এবং সন্তু একই আছে। কাকাবাবু হিসেবে আবারও দেখা যাবে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে। অন্যদিকে সন্তু হিসেবে প্রথমে পোস্ত ওরফে অর্ঘ্য বসুকে দেখা যাওয়ার কথা থাকলেও, আরিয়ান ভৌমিককেই পুনরায় এই চরিত্রে দেখা যাবে। খলনায়কের ভূমিকায় ধরা দেবেন অনুজয় চট্টোপাধ্যায়। অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় থাকবেন সত্যম ভট্টাচার্য, চিরঞ্জিত চক্রবর্তী, প্রমুখ। সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের বদলে চন্দ্রাশিস রায় এই ছবির পরিচালনা করেছেন। 'নিরন্তর' ছবির পর আবারও 'বিজয়নগরের হীরে' ছবিতে জুটি বাঁধল পরিচালক-অভিনেতা জুটি, চন্দ্রাশিস এবং প্রসেনজিৎ। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখা এই গল্পে কাকাবাবু এবং সন্তু ছাড়াও অভিযানে সঙ্গী হবে জোজো, রিঙ্কু এবং রঞ্জন।
প্রথমে কানাঘুষোয় শোনা যাচ্ছিল বড়দিনে মুক্তি পেতে পারে ছবিটি। তবে ফেডারেশন, ইম্পার নতুন আইন অনুযায়ী, উৎসবের আমেজে তিনটি করেই বাংলা ছবি মুক্তি পাবে। তাই আগামী ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ সালে মুক্তি পাবে 'বিজয়নগরের হীরে'। এসভিএফ এবং এনআইডিয়াজ ছবিটির প্রযোজনা করেছে। সরস্বতী পুজো তথা নেতাজি জন্মজয়ন্তীর দিন বড়পর্দায় এই ছবির সঙ্গে মুখোমুখি হবে রাজ চক্রবর্তী পরিচালিত 'হোক কলরব' এবং উইন্ডোজ প্রোডাকশন হাউজের 'ভানুপ্রিয়া ভূতের হোটেল'।
এই বিষয়ে জানিয়ে রাখা ভাল, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে দর্শকরা শেষবার 'দেবী চৌধুরাণী' ছবিতে দেখেছেন। শুভ্রজিৎ মিত্র পরিচালিত সেই ছবিতে ভবানী পাঠকের ভূমিকায় ধরা দিয়েছিলেন অভিনেতা। তাঁর সঙ্গে নাম ভূমিকায় ছিলেন শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। বক্স অফিসে বেশ ভাল সাড়া পেয়েছিল এই ছবিটি।
